বিবাহবিচ্ছেদ

ডিভোর্স তিন পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।

১. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক।(স্ত্রীর স্বাক্ষর লাগবে না)

২. স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক ।(স্বামীর স্বাক্ষর লাগে না )

৩. খোলা তালাক/মিউচুয়াল ডিবোর্স (স্বামী স্ত্রী স্বাক্ষর লাগে)

*(তালাক হওয়ার পর ৯০ দিন সময় থাকে তালাক প্রত্যাহারের জন্য)

°মনে রাখতে হবে যে তালাক বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া কখনোই কল্যাণ বয়ে আনে না!

 

১. স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক দিলে, স্ত্রীকে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে হয় ও নোটিশের এক কপি এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যান/মেয়র সাহেবের ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠাতে হয়।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ডিভোর্স চুড়ান্ত ভাবে কার্যকর হয় চেয়ারম্যান/মেয়র সাহেব অথবা সালেশি পরিশোধ কর্মকর্তা নোটিশ পাবার ৯০ দিন পরে।
(তালাকে সার্টিফিকেটটা পাবে।)

*স্বামীর মনের অমিলও ও বনিবনা না হওয়ায় তালাকে বায়েন দিয়ে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে।

২. স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দিলে, স্বামীকে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে হয় ও নোটিশের এক কপি এলাকার স্হানীয় চেয়ারম্যান/ মেয়রের অথবা সালেশি পরিষদের কর্মকর্তা ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠাতে হয়।
(তালাকের সার্টিফিকেট তালাক হওয়ার পর ৩ মাস পরে পাবে)
•সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ডিভোর্স চুড়ান্ত ভাবে কার্যকর হয়, চেয়ারম্যান/মেয়র সাহেব নোটিশ পাবার ৯০ দিন পর।
*(মেয়েকে পরবর্তীকালে অন্য কাউকে বিবাহ করার জন্য তিন মাস ১৩ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে)

*স্ত্রী কাবিনের ১৮ নং কালামের ক্ষমতা বলে নিজ নফসের উপর তালাকে তফউইজ নিয়ে বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করেন।

৩. খোলা তালাক/মিউচুয়াল ডিভোর্স।
স্ত্রী উপস্থিত সাক্ষীগনের সম্মুখে, তাহার দেন মোহরের টাকা বুঝিয়া পেয়ে, অথবা ক্ষমা করে দিয়ে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে খোলাতালাক কবুল করেছেন।
সালিশী কার্যক্রম বা দেনা পাওনা বুঝিয়া পাইয়া বা নিয়া উভয় পক্ষের সাক্ষীসহ বর কনের সাক্ষর লাগবে। (নোটিশ পাঠাতে হয় না)
***ডিভোর্স (তালাক) দিতে কি কি লাগে?
•নিকাহনামার কপি লাগবে।
•এক কপি ছবি।
•দুজন সাক্ষী।
*** কনে/বর ডিভোর্স দিলে কাবিনের টাকা পাবে।?
•ডিভোর্স যে পক্ষ থেকেই হোক,
•কাবিনের অপরিশোধিত টাকা কনে পাবে।
•তিন মাসের ভরনপোষণের খরচ কনে পাবে।
•Call: 01936915074
*** ডিবোর্সের পর সন্তানের ভরনপোষণ:
•পুত্র সন্তান ৭ বছর পর্যন্ত।
•কন্যা সন্তান সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত।
•সন্তান মায়ের কাছে থাকবে।
•বাবা সন্তানের ভরনপোষণ দিবে।
‌•Call: 01936915074

সচরাচর জিজ্ঞাস্য

বিবাহবিচ্ছেদের পরে, দম্পতি প্রায়ই সুখের মাত্রা হ্রাস, অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন এবং মানসিক সমস্যা সহ প্রভাবগুলি অনুভব করে। শিশুদের উপর প্রভাব শিক্ষাগত, আচরণগত, এবং মানসিক সমস্যা অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

সম্পত্তি, অর্থ, আর্থিক সম্পদ, এবং বিবাহের সময় (এবং কখনও কখনও আগে) অর্জিত ঋণ প্রাক্তন স্বামীদের মধ্যে ভাগ করা হয়। প্রকৃতপক্ষে, বিবাহবিচ্ছেদকারী ব্যক্তিদের তাদের বিবাহবিচ্ছেদের পূর্বে একই জীবনযাত্রার মান বজায় রাখার জন্য গড়ে 30% এর বেশি আয়ের প্রয়োজন।

তদনুসারে, বিবাহবিচ্ছেদের ফলে কিশোরদের খারাপ অনুভূতি হয় যেমন হতাশা, অস্থিরতা, একাকীত্বের ন্যায্যতা এবং রাগ । কিশোররাও পরিবার, বাবা-মা এবং হয়তো ভাইবোনের ক্ষতি অনুভব করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে তারা দোষী বোধ করতে পারে যে তারা বিবাহবিচ্ছেদের কারণ (হেলমি, ২০১১)।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে তালাকপ্রাপ্ত পরিবারের শিশুরা শিক্ষাগত কৃতিত্ব, আচরণ, মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ, আত্মসম্মান, সামাজিক যোগ্যতা এবং অন্যান্য শিশুদের সাথে সম্পর্ক নির্বিশেষে নিম্ন স্তরের মঙ্গল অনুভব করে।

১৪ নং কোর্ট হাউজ স্ট্রীট কোতোয়ালি ঢাকা। (ঢাকা জজ কোর্ট।)

Scroll to Top